৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬•শুক্রবার
মহাপর্ব•ভগবান শ্রীকৃষ্ণ

শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী

ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার, গীতার বক্তা যোগেশ্বর শ্রীকৃষ্ণের পবিত্র আবির্ভাব তিথি।

শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী

শুভ মুহূর্ত ও পূজা সময়

India•৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিশীথ পূজা মুহূর্ত৪৬ মিনিট
১১:৫০ অপরাহ্ন থেকে ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, ৫ সেপ্টেম্বর

শুভ জয়ন্তী যোগ: নিশীথ কালে অষ্টমী তিথি ও রোহিণী নক্ষত্রের পবিত্র সংযোগ।

প্রধান পূজা ও ব্রতের সময়

নিশীথ কাল (মধ্যরাত্রি পূজা)শুভ
১১:৫০ অপরাহ্ন থেকে ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, ৫ সেপ্টেম্বর

রাত্রির অষ্টম মুহূর্ত যখন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়েছিলেন

মধ্যরাত্রি মুহূর্তশুভ
১২:১৩ পূর্বাহ্ন, ৫ সেপ্টেম্বর

জ্যোতির্বিজ্ঞানীয় স্থানীয় সৌর মধ্যরাত্রি

রোহিণী নক্ষত্রশুভ
রোহিণী ১১:০৩ অপরাহ্ন পর্যন্ত
অষ্টমী তিথি সমাপ্তি
অষ্টমী ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
জন্মাষ্টমী পারণ
০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন পরে

পরদিন সকালে সূর্যোদয়ের পর ব্রত ভঙ্গ করা হয়

ভাদ্রপদ কৃষ্ণ অষ্টমী (অমাবস্যান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী শ্রাবণ কৃষ্ণ অষ্টমী) তিথিতে উদযাপিত হয়।
নিশীথ কাল স্থানীয় সূর্যাস্ত থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত রাত্রির যথাযথ অষ্টম মুহূর্ত।
🕉

তাৎপর্য ও আধ্যাত্মিক রহস্য

আধ্যাত্মিক দর্শন, অন্তর্নিহিত অর্থ ও শাশ্বত মূল্যবোধ

শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী সনাতন ধর্মের অন্যতম প্রধান ও আনন্দময় উৎসব। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে রোহিণী নক্ষত্রের শুভ সংযোগে মধ্যরাত্রে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মথুরার কারাগারে আবির্ভূত হন। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্ত এই দিনে উপবাস রেখে পুজো, কীর্তন ও অভিষেক করেন।

ধর্ম সংস্থাপন, নিষ্কাম কর্মযোগ ও শুদ্ধ প্রেমভক্তির মহিমাই জন্মাষ্টমীর পরম বাণী।

📜

পৌরাণিক কথা ও প্রসঙ্গ

শাস্ত্র ও ইতিহাসে বর্ণিত পবিত্র আখ্যান

কথা সংক্ষেপ (মূল আখ্যান)

"কংসের কারাগারে দেবকী-বসুদেবের অষ্টম সন্তান রূপে মধ্যরাত্রে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়। বসুদেব উত্তাল যমুনা পার হয়ে গোকুলে নন্দ-যশোদার গৃহে কৃষ্ণকে রেখে আসেন।"

দ্বাপর যুগে কংসের অত্যাচার থেকে পৃথিবীকে মুক্ত করতে শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হন। বসুদেব ঝুড়িতে নবজাতক কৃষ্ণকে নিয়ে উত্তাল যমুনা পার হন। অনন্ত নাগ বৃষ্টি থেকে তাঁকে রক্ষা করেন। গোকুলে যশোদার কোলে কৃষ্ণকে রেখে বসুদেব কন্যাসন্তানকে নিয়ে ফিরে আসেন।
॥ इति शुभम् ॥•Sanatana Sacred Lore Archive
ॐ तत् सत्

প্রধান আচার ও অনুষ্ঠান

ধাপে ধাপে পূজা পদ্ধতি ও নিয়মাবলি

১

সকালে স্নান করে নির্জলা বা ফলাহারী ব্রতের সংকল্প নেওয়া।

২

পূজার স্থান ফুল ও নাড়ু গোপালের সুন্দর ঝুলনা দিয়ে সাজানো।

৩

ভগবদ্গীতা ও বিষ্ণু সহস্রনাম পাঠ করা।

৪

মধ্যরাত্রে ১২টায় পঞ্চামৃত দিয়ে লাড্ডু গোপালের মহাভিষেক।

৫

মাখন-মিছরি ও ছাপ্পান্ন ভোগের নৈবেদ্য অর্পণ।

৬

পরদিন সকালে সূর্যোদয়ের পর পারণ করা।

🕉

প্রধান দেবতা ও পবিত্র মন্ত্র

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ • শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বৈদিক ও পৌরাণিক মন্ত্র

১

মহামন্ত্র (Maha-Mantra)

हरे कृष्ण हरे कृष्ण कृष्ण कृष्ण हरे हरे । हरे राम हरे राम राम राम हरे हरे ॥

Hare Krishna Hare Krishna Krishna Krishna Hare Hare, Hare Rama Hare Rama Rama Rama Hare Hare

ভাবার্থ: হে পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ, হে পরমাপ্রকৃতি রাধারাণী, আমাকে আপনাদের নিত্য প্রেমসেবায় নিযুক্ত করুন।
আরতি ও স্তুতি
आरती कुंजबिहारी की, श्री गिरिधर कृष्ण मुरारी की ॥ गले में बैजंती माला, बजावै मुरली मधुर बाला । श्रवण में कुण्डल झलकाला, नंद के आनंद नंदलाला । गगन सम अंग कांति काली, राधिका चमक रही आली । लतन में ठाढ़े बनमाली, भ्रमर सी अलक, कस्तूरी तिलक, चंद्र सी झलक, ललित छवि श्यामा प्यारी की ॥ श्री गिरिधर कृष्ण मुरारी की, आरती कुंजबिहारी की ॥ कनकमय मोर मुकुट बिलसै, देवता दरसन को तरसैं । गगन सों सुमन रासि बरसै, बजे मुरचंग, मधुर मृदंग, ग्वालिन संग, अतुल रति गोप कुमारी की ॥ श्री गिरिधर कृष्ण मुरारी की, आरती कुंजबिहारी की ॥

বিভিন্ন অঞ্চলে ঐতিহ্যবাহী উদযাপন

ভারত এবং বিশ্বজুড়ে বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক উৎসব

পশ্চিমবঙ্গ ও মায়াপুর (ইস্কন)মহাকীর্তন ও অভিষেক

মায়াপুর চন্দ্রোদয় মন্দিরে ১০৮টি কলস দিয়ে মহাভিষেক ও রাতভর হরিনাম সংকীর্তন হয়।

ঐতিহ্যবাহী ভোগ ও মহাপ্রসাদ

ভক্তিভরে নিবেদিত পবিত্র খাদ্য ও ভোগ

🍯মাখন-মিছরি
🍯তালের বড়া
🍯পঞ্চামৃত
🍯ছাপ্পান্ন ভোগ

প্রামাণ্য শাস্ত্র ও শাস্ত্রীয় প্রমাণ

✦শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ — দশম স্কন্ধ
✦শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা — চতুর্থ অধ্যায়

ব্রত পালন বিধি ও পারণ সময়

✔অষ্টমীর সারাদিন উপবাস থেকে মধ্যরাত্রির পূজার পর বা পরদিন সকালে পারণ করতে হয়।